• আজ, শুক্রবার, ২২ অক্টোবর ২০২১ | ৭ কার্তিক ১৪২৮ | ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩
logo

দেশে ফিরতে রাতভর বিক্ষোভ করেছে হাজারো কুয়েত প্রবাসী

দেশে ফিরতে  রাতভর  বিক্ষোভ করেছে হাজারো কুয়েত প্রবাসী

কুয়েত থেকে দেশে ফেরার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রায় সাড়ে চার হাজার বাংলাদেশী। সাধারণ ক্ষমা ঘোষণার পর তারা ২০-২৫ দিন ধরে দেশটির সিভদী, আবদালী, মাঙ্গাফ ও কসর নামে চারটি ক্যাম্পে হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন। তাদের মধ্যে ইতিমধ্যে দুইজন স্ট্রোক করে মারা গেছেন। দীর্ঘদিন ধরে ক্যাম্পে থাকার পরও দেশে ফিরতে না পেরে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েছেন এসব প্রবাসী। রোববার দেশটির স্থানীয় সময় মধ্যরাতে সিভদী ও আবদালী ক্যাম্পে থাকা প্রবাসীরা রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখিয়েছে। মারা গেছেন তিনজন। সর্বশেষ গতকাল সিভদী ক্যাম্পে দেশে ফেরার অপেক্ষায় থাকা চাঁদপুরের হাজিগঞ্জের কাজিগাঁও গ্রামের আমরান (৪৩) স্ট্রোক করে মারা গেছেন। এর কয়েকদিন আগে একই ক্যাম্পে আরো একজন মারা যান বলে জানা যায়। গত ২ মে মারা দেশটির আবদালি ক্যাম্পে মারা গেছেন কুমিল্লার রবিউল ইসলাম।

কুয়েত সরকার গত ১ এপ্রিল থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত সে দেশে অবস্থিত অবৈধ প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। এরপর বাংলাদেশের প্রায় সাড়ে চার হাজার অবৈধ প্রবাসী সাধারণ ক্ষমার জন্য আবেদন করেন। যারা আবেদন করবে তাদের দেশে ফেরানোর বিমানভাড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করবে কুয়েত সরকার।

বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাকের অভিবাসন কর্মসূচির প্রধান শরিফুল হাসান বলেন, কুয়েত প্রবাসীরা আমাদের সাথেও যোগাযোগ করছেন। সাধারণ ক্ষমার বিয়ষটি আমরা অবগত। তবে করোনার এই সঙ্কটকালীন সময়ে যেহেতু ফ্লাইট চলাচল বন্ধ কাজেই হুট করে কোন সিদ্ধান্ত নেয়া সবার জন্যই কঠিন। তবে সাধারণ ক্ষমতায় নিবন্ধিতদের মধ্যে ১২৬ জন গত ২৭ এবং ১২১ জন গত ২৮ এপ্রিল আলজাজিরা এয়ারওয়েজের ফ্লাইটে দেশে ফেরত আনা হয়েছে। বাকিদের বিষয়েও সরকার ও দূতাবাস অবগত বলেই আমরা মনে করছি। দূতাবাস এই প্রবাসীদের সাথে যোগাযোগ করে তাদের আশ্বস্ত করতে পারে।তবে, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আব্দুল মোমেন বলেছেন, সেদেশ থেকে জেলমুক্তদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি চূড়ান্ত হলেও যারা সাধারণ ক্ষমায় আত্মসমর্পণ করেছেন তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। আলোচনার মাধ্যমেই তাদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানান তিনি।

ফিচার

Top